‘বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতু’ বাস্তবায়নে উপ-মহাদেশের ভ্রাতৃপ্রতিম দুই দেশের মধ্যে ঐতিহাসিক যোগসূত্র স্থাপিত হয়েছে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মংসুইপ্রু চৌধুরী অপু বলেছেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী এবং জাতির জনকের জন্ম শতবার্ষিকীর মাহেন্দ্রক্ষণে অর্থনৈতিক এই কর্মযজ্ঞ পার্বত্যাঞ্চলের ‘পাহাড়ি-বাঙালি’ সকল সম্প্রদায়ের মাঝে অগ্রগতির আশা সঞ্চার করেছে। এজন্য বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী এবং ভারত সরকারসহ ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং সকল নাগরিকদের কাছে আমরা ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে গেলাম।

তিনি সোমবার বিকালে রামগড়ের মহামুনি এলাকায় বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে ফেনী নদীর ওপর নির্মিত মৈত্রী সেতু পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের কাছে এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের মুক্তিকামী মানুষের অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রামে ‘রামগড়’ছিল সংকটকালীন এক উত্তরণ জনপদ। কালের পরিক্রমায় সেই রামগড়ের মাধ্যমেই সরকার নতুন এক অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করতে চলেছে। এটির মাধ্যমে বৃহত্তর চট্টগ্রাম এবং পার্বত্য খাগড়াছড়ির মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের বিশাল ক্ষেত্র সৃষ্টি হবে।

জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ‘বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতু’ পরিদর্শনকালে সেতুতে বৈকালিক ভ্রমণে আসা বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সাথে কুশল বিনিময় ছাড়াও কর্মরত ‘বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি)’ সদস্যদের একাগ্র দায়িত্ব পালনের জন্য ধন্যবাদ জানান।

Share Now
February 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
232425262728