জো বাইডেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম হামলার নির্দেশ দিলেন। পেন্টাগন জানিয়েছে, সিরিয়ায় ইরানপন্থী সন্ত্রাসীদের ওপর এ হামলা চালানো হয়েছে। এতে নিহত হয়েছে কমপক্ষে ২২ সন্ত্রাসী। হামলায় সীমান্তের কন্ট্রোল পয়েন্টে সন্ত্রাসীদের বেশ কিছু পরিকাঠামো ধ্বংস করা হয়েছে বলে তারা দাবি করেছে। এ খবর দিয়েছে ডয়েচে ভেলে।
খবরে জানানো হয়, ইরাকে মার্কিন সেনা ঘাঁটি ও দূতাবাসে রকেট হামলা চালানোর জবাব দিতেই এ হামলা চালানো হয়েছে। এ হামলার ফলে সন্ত্রাসীডের একটা বার্তা দেয়া সম্ভব হয়েছে বলে মনে করে পেন্টাগন। হামলার আগে মিত্র রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে আলোচনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে সামরিক প্রতিক্রিয়ার পাশাপাশি কূটনৈতিক স্তরেও আলোচনা চালানো হবে।
পেন্টাগন বলেছে, তাদের লক্ষ্য ছিল ইরানপন্থি দুই মিলিশিয়া কাতাইব হেজবোল্লাহ এবং কাতাইব সঈদ আল-সুহাদা।
এদিকে, নিউ ইয়র্ক টাইমসের খবরে বলা হয়, হামলায় সাতটি ৫০০ পাউন্ডের বোমা কয়েকটি বাড়ি টার্গেট করে এর উপরে ফেলা হয়। সিরিয়া-ইরাক সীমান্তে এই বাড়িগুলি থেকেই অস্ত্র পাচার করা হতো। এখান দিয়েই সন্ত্রাসীরা ইরাকে ঢুকত বলে অভিযোগ রয়েছে। পেন্টাগন আরো ভয়াবহ সামরিক অভিযান চালাতে চেয়েছিল। কিন্তু বাইডেন ছোট করে জবাব দেয়ার কথা বলেন। পেন্টাগনের মুখপাত্র জানিয়েছেন, যারা রকেট হামলা চালিয়েছিল, তাদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
