খুলছে দোকান পাট।  সরকার ‘কঠোর লকডাউন’ ঘোষণা করলেও পাড়া-মহল্লার ভেতর থেমে নেই আড্ডা। বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে প্রশাসন ও পুলিশ কঠোর অবস্থানে থাকলেও লকডাউনের তৃতীয় দিন শুক্রবার অলি-গলিতে চালু হয়েছে দোকানপাট। বসতে দেখা যায় কাঁচামাল, মাছসহ নিত্যপণ্যের পসরা। সেখানে জটলা করে কেনাকাটায় ব্যস্ত স্থানীয় বাসিন্দারা।

এমন চিত্র দেখা গেছে রাজধানীর মোহাম্মদপুর, শিয়া মসজিদ, হাউজিং সোসাইটি, বেড়িবাঁধ, ফার্মগেটের ইন্দিরা রোড, শুক্রাবাদ গলিসহ রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় সকাল থেকে ছোট ছোট মুদি, চায়ের দোকান ও ছোট রাস্তার পাশে ফুটপাতেও দোকান খুলতে দেখা গেছে। আর এসব দোকানে সাধারণ মানুষের সমাগমও ছিলো চোখে পড়ার মতো।

পুলিশ দোকান বসাতে নিষেধ করলেও তা মানছে না দোকাননিরা। কয়েক জায়গায় দেখা গেছে পুলিশ এসে দোকান বন্ধ করে দিয়ে গেছে। এমনকি দোকান ভেঙে দিয়ে গেছে। পুলিশ চলে যাওয়ার পরে আবার দোকান খুলে বসছেন দোকানিরা। তারা বলছেন, বাধ্য হয়ে দোকান নিয়ে বসতে হচ্ছে। বেচা-বিক্রি না হলে না খেয়ে থাকতে হবে। বেশিরভাগ এলাকায় প্রধান সড়কের দোকানগুলো বন্ধ থাকলেও গলির ভেতরের দোকান দিব্যি খোলা। ক্রেতারাও দলবেঁধে দোকানের সামনে বসে আছে। মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। চলছে জমজমাট আড্ডা।

বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে মাঠে দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তা রুহুল আমিন জানান, পুলিশ প্রথম দিন থেকে এখন পর্যন্ত কঠোর অবস্থানে আছে এবং থাকবে। বিনা প্রয়োজনে কাউকে রাস্তায় বের হতে দেয়া হচ্ছে না। সব চায়ের দোকান, স্টল বন্ধ। গলির ভেতরে কিছু কিছু দোকান খোলা আছে, যা পুলিশ দেখলেই তারা আবার বন্ধ করে দেয়। অলি-গলির ভেতরে কিছু দোকান খোলা রাখে। তবে আমরা সব জায়গাতেই টহল দেব।

দেশে চলছে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ। সংক্রমণের সঙ্গে বেড়েছে মৃত্যু। পরিস্থিতি সামাল দিতে তাই দেশব্যাপী এক সপ্তাহের কঠোর বিধিনিষেধ জারি করেছে সরকার।

Share Now
October 2026
M T W T F S S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031