ভারতের মুম্বই বিশ্বের মধ্যে বসবাসের জন্য সবচেয়ে চাপযুক্ত বা হতাশাযুক্ত শহর হলো । তবে হংকং তার চেয়ে খুব বেশি ভাল যে, তা নয়। অন্যদিকে এর বিপরীত অবস্থানে রয়েছে আইসল্যান্ডের রাজধানী রেকজাভিক। অর্থাৎ বিশ্বে সবচেয়ে চাপমুক্ত শহর হলো এটি। অন্যদিকে করোনার বিধিনিষেধ থাকা সত্ত্বেও গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমস আয়োজনের জন্য টোকিও কম চাপযুক্ত। বার্লিনভিত্তিক সিবিডি কর্তৃক সমন্বয় করা তালিকায় এসব কথা বলা হয়েছে। ১০০ শহরের ওপর পাওয়া তথ্য সন্নিবেশ করে এসব কথা বলা হয়েছে। ২০২১ সালে রাজনৈতিক টালমাটাল অবস্থার জন্য এই তালিকায় হংকংয়ের অবস্থান ৭৪তম।
বলা হয়েছে, সেখানে বসবাসকারীদের মধ্যে অস্থিরতার কারণে সামনের বছরগুলোতে এই চাপ আরো বৃদ্ধি পাবে। সিবিডি ‘লিস্ট অ্যান্ড মোস্ট স্ট্রেসফুল সিটি ইনডেক্স ২০২১’ প্রকাশ করে এসব কথা বলেছে। ১৬টি ফ্যাক্টরের ওপর ভিত্তি করে এক থেকে ১০০ পর্যন্ত স্কেল করা হয়। এর মধ্যে যারা এক নম্বরে অবস্থান করবে, তারা সবচেয়ে কম চাপযুক্ত। যারা ১০০ তে অবস্থান করবে সেখানে সবচেয়ে বেশি চাপ। ১৬টি ফ্যাক্টরের মধ্যে অন্যতম হলো সুশাসন, সামাজিক ও আর্থিক চাপ, দূষণ এবং করোনায় গৃহীত পদক্ষেপের প্রভাব। এর মধ্যে রেকজাভিকের বাতাস এবং শব্দদূষণ সবচেয়ে কম। সেখানে লিঙ্গগত সমতা সবচেয়ে বেশি। নিরাপত্তার বিষয়টিও সবচেয়ে বেশি। কম চাপমুক্ত শহরগুলোর বেশির ভাগই পশ্চিমা। শীর্ষ ২৫টি দেশের তালিকায় আসতে পারেনি এশিয়ার কোনো দেশ বা শহর। ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা এবং ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলা রয়েছে সবচেয়ে চাপুুক্ত ১০টি দেশের মধ্যে। এই তালিকায় রয়েছে সাতটি দেশ।
সিঙ্গাপুরের অবস্থান তালিকায় ৩৩তম। তবে নিরাপত্তার জন্য তৃতীয় উত্তম দেশ সিঙ্গাপুর। সবচেয়ে ভাল কর্মসংস্থানের দিক দিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক। স্বাস্থ্যসেবার সুবিধার দিক দিয়ে টোকিওর অবস্থান তৃতীয়। হ্যানয়ের চেয়ে কম আলোক দূষণ রয়েছে মাত্র ৮টি শহরে। কাতার তার মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থানে।
| M | T | W | T | F | S | S |
|---|---|---|---|---|---|---|
| 1 | 2 | 3 | 4 | |||
| 5 | 6 | 7 | 8 | 9 | 10 | 11 |
| 12 | 13 | 14 | 15 | 16 | 17 | 18 |
| 19 | 20 | 21 | 22 | 23 | 24 | 25 |
| 26 | 27 | 28 | 29 | 30 | 31 | |
