মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ যখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে। ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠালাভ করতে যাচ্ছে। ঠিক এই সময় দেশের উন্নয়নকে থমকে দিতে বহিঃশত্রুর ইন্ধনে সেই জামায়াত-শিবিরের সমর্থনপুষ্টরা জঙ্গি সংগঠনের নামে দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করছে। ইসলামের অপব্যাখ্যা দিয়ে মানুষ হত্যা করছে।
সম্প্রতি দেশে একের পর এক হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ঢাকায় গুলশানে সিজার তাবেলা, রংপুরে কুনিও হোশি হত্যাকাণ্ডসহ দেশে একের পর এক জঙ্গি হামলা হয়েছে। এসব ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তা সাহসিকতার সঙ্গে মোকাবিলা করেছে। আমাদের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা জীবনকে তুচ্ছ করে একের পর এক ঘটনা সামলে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যে এসব হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অনেক জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মূল পরিকল্পনাকারীরা নজরে আছে।’ তিনি বলেন, এসব হত্যাকাণ্ডের অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। যথাসময়ে বিচার হবে।সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজি) এ কে এম শহীদুল হক বলেন, গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলাকারী জঙ্গিদের সেকেন্ড ইন কমান্ডকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘জনগণের সহযোগিতায় আমরা জঙ্গিবাদ মোকাবিলা করতে সক্ষম হব। দেশের মধ্যে বেশি জঙ্গি হলো উত্তরাঞ্চলে। এর মধ্যে বগুড়া ও গাইবান্ধায় তৎপরতা বেশি।’
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন পুলিশের রংপুর রেঞ্জর উপমহাপরিদর্শক খন্দকার গোলাম ফারুক। সমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনের সাংসদ টিপু মুনশি। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গা, রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র সরফুদ্দীন আহমেদ ঝন্টু।সমাবেশে কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ঈদগাহর ইমাম ও জমিয়াতুল উলামা বাংলাদেশের সভাপতি মাওলানা ফরিদ উদ্দিন মাসউদ, ঢাকার রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী ধ্রুবেশানন্দ মহারাজ, দিনাজপুর ধর্মপ্রদেশের বিশপ সেবাস্টিয়ান টুডুসহ বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ইমাম, পুরোহিত, ভিক্ষু, যাজকসহ মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডাররা বক্তব্য দেন।
