গতকাল মঙ্গলবার উপজেলার গোপালপুর বাজার থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।সরকারি সফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় সরকারি সহায়তা হিসেবে ঘর, গরু, সৌরবিদ্যুত, অন্তঃসত্ত্বাদের ভাতার কার্ড দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃতরা ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় সরকারি সহায়তা হিসেবে ঘর, গরু, সৌরবিদ্যুত, অন্তঃসত্ত্বাদের ভাতার কার্ড দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার উপজেলার গোপালপুর বাজার থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় সরকারি সহায়তা হিসেবে ঘর, গরু, সৌরবিদ্যুত, অন্তঃসত্ত্বাদের ভাতার কার্ড দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার উপজেলার গোপালপুর বাজার থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় সরকারি সহায়তা হিসেবে ঘর, গরু, সৌরবিদ্যুত, অন্তঃসত্ত্বাদের ভাতার কার্ড দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার উপজেলার গোপালপুর বাজার থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় সরকারি সহায়তা হিসেবে ঘর, গরু, সৌরবিদ্যুত, অন্তঃসত্ত্বাদের ভাতার কার্ড দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার উপজেলার গোপালপুর বাজার থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় সরকারি সহায়তা হিসেবে ঘর, গরু, সৌরবিদ্যুত, অন্তঃসত্ত্বাদের ভাতার কার্ড দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার উপজেলার গোপালপুর বাজার থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেনসোহাগ শেখ (২২) ও নুর আলম মোল্লা (২৫)। তাদের বিরুদ্ধে উজ্জ্বল মোল্লা নামে এক ভুক্তভোগী প্রতারণার মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি অফিসের কর্মকর্তা সেজে চাকরি, ঘর, গরু, সৌরবিদ্যুত, অন্তঃসত্ত্বাদের ভাতার কার্ড দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিলেন একটি চক্র। তাদের বাড়ি স্থানীয় এমপির গ্রামে হওয়ায় অনেকে তাদের বিশ্বাস করে প্রতারণার ফাঁদে পা দেন।

গত রোববার দুপুর ১২টার দিকে প্রতারকচক্রের সদস্য আসামি সোহাগ শেখ ও নুর আলম মোল্লা ডিসি অফিসের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে অসহায় মানুষদের সরকারি গরু, ঘর, সৌরবিদ্যুত ও অন্তঃসত্ত্বাদের ভাতার কার্ড দেওয়ার কথা বলেন। কৌশল হিসেবে তারা জানান, চেয়ারম্যান ও মেম্বার এসব টাকা আত্মসাৎ করেন বলে জেলা প্রশাসক তাদের সরাসরি পাঠিয়েছেন। তবে এসব সরকারি সহায়তা পেতে খরচ বাবদ ৭ হাজার টাকা জমা দিতে হবে।

তাদের কথা বিশ্বাস করে উজ্জ্বল মোল্লা ২ হাজার টাকা অগ্রিম জমা দেন এবং বাকি টাকা পরে দেওয়ার কথা বলেন। পরে ভালোভাবে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন তারা প্রতারক। এ ঘটনায় মঙ্গলবার আসামি সোহাগ শেখকে বাকি টাকা নিতে উজ্জ্বল মোল্লা ফোন করে গোপালপুর বাজারে আসতে বলেন।

এদিকে উজ্জ্বল মোল্লা ঘটনাস্থলে আলফাডাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) খায়রুল ও সহকারী উপপরিদর্শক (এসআই) অর্জুনসহ পুলিশের একটি দল সেখানে উপস্থিত হন। এ সময় সোহাগ শেখ ও নুর আলম মোল্লাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ব্যাপারে আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, ‘আসামিদের গ্রেপ্তার করে ফরিদপুরের আদালতে পাঠানো হয়েছে।’সোহাগ শেখ (২২) ও নুর আলম মোল্লা (২৫)। তাদের বিরুদ্ধে উজ্জ্বল মোল্লা নামে এক ভুক্তভোগী প্রতারণার মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি অফিসের কর্মকর্তা সেজে চাকরি, ঘর, গরু, সৌরবিদ্যুত, অন্তঃসত্ত্বাদের ভাতার কার্ড দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিলেন একটি চক্র। তাদের বাড়ি স্থানীয় এমপির গ্রামে হওয়ায় অনেকে তাদের বিশ্বাস করে প্রতারণার ফাঁদে পা দেন।

গত রোববার দুপুর ১২টার দিকে প্রতারকচক্রের সদস্য আসামি সোহাগ শেখ ও নুর আলম মোল্লা ডিসি অফিসের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে অসহায় মানুষদের সরকারি গরু, ঘর, সৌরবিদ্যুত ও অন্তঃসত্ত্বাদের ভাতার কার্ড দেওয়ার কথা বলেন। কৌশল হিসেবে তারা জানান, চেয়ারম্যান ও মেম্বার এসব টাকা আত্মসাৎ করেন বলে জেলা প্রশাসক তাদের সরাসরি পাঠিয়েছেন। তবে এসব সরকারি সহায়তা পেতে খরচ বাবদ ৭ হাজার টাকা জমা দিতে হবে।

তাদের কথা বিশ্বাস করে উজ্জ্বল মোল্লা ২ হাজার টাকা অগ্রিম জমা দেন এবং বাকি টাকা পরে দেওয়ার কথা বলেন। পরে ভালোভাবে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন তারা প্রতারক। এ ঘটনায় মঙ্গলবার আসামি সোহাগ শেখকে বাকি টাকা নিতে উজ্জ্বল মোল্লা ফোন করে গোপালপুর বাজারে আসতে বলেন।

এদিকে উজ্জ্বল মোল্লা ঘটনাস্থলে আলফাডাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) খায়রুল ও সহকারী উপপরিদর্শক (এসআই) অর্জুনসহ পুলিশের একটি দল সেখানে উপস্থিত হন। এ সময় সোহাগ শেখ ও নুর আলম মোল্লাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ব্যাপারে আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, ‘আসামিদের গ্রেপ্তার করে ফরিদপুরের আদালতে পাঠানো হয়েছে।’তরা হলেন, সোহাগ শেখ (২২) ও নুর আলম মোল্লা (২৫)। তাদের বিরুদ্ধে উজ্জ্বল মোল্লা নামে এক ভুক্তভোগী প্রতারণার মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি অফিসের কর্মকর্তা সেজে চাকরি, ঘর, গরু, সৌরবিদ্যুত, অন্তঃসত্ত্বাদের ভাতার কার্ড দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিলেন একটি চক্র। তাদের বাড়ি স্থানীয় এমপির গ্রামে হওয়ায় অনেকে তাদের বিশ্বাস করে প্রতারণার ফাঁদে পা দেন।

গত রোববার দুপুর ১২টার দিকে প্রতারকচক্রের সদস্য আসামি সোহাগ শেখ ও নুর আলম মোল্লা ডিসি অফিসের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে অসহায় মানুষদের সরকারি গরু, ঘর, সৌরবিদ্যুত ও অন্তঃসত্ত্বাদের ভাতার কার্ড দেওয়ার কথা বলেন। কৌশল হিসেবে তারা জানান, চেয়ারম্যান ও মেম্বার এসব টাকা আত্মসাৎ করেন বলে জেলা প্রশাসক তাদের সরাসরি পাঠিয়েছেন। তবে এসব সরকারি সহায়তা পেতে খরচ বাবদ ৭ হাজার টাকা জমা দিতে হবে।

তাদের কথা বিশ্বাস করে উজ্জ্বল মোল্লা ২ হাজার টাকা অগ্রিম জমা দেন এবং বাকি টাকা পরে দেওয়ার কথা বলেন। পরে ভালোভাবে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন তারা প্রতারক। এ ঘটনায় মঙ্গলবার আসামি সোহাগ শেখকে বাকি টাকা নিতে উজ্জ্বল মোল্লা ফোন করে গোপালপুর বাজারে আসতে বলেন।

এদিকে উজ্জ্বল মোল্লা ঘটনাস্থলে আলফাডাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) খায়রুল ও সহকারী উপপরিদর্শক (এসআই) অর্জুনসহ পুলিশের একটি দল সেখানে উপস্থিত হন। এ সময় সোহাগ শেখ ও নুর আলম মোল্লাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ব্যাপারে আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, ‘আসামিদের গ্রেপ্তার করে ফরিদপুরের আদালতে পাঠানো হয়েছে।’
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, সোহাগ শেখ (২২) ও নুর আলম মোল্লা (২৫)। তাদের বিরুদ্ধে উজ্জ্বল মোল্লা নামে এক ভুক্তভোগী প্রতারণার মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি অফিসের কর্মকর্তা সেজে চাকরি, ঘর, গরু, সৌরবিদ্যুত, অন্তঃসত্ত্বাদের ভাতার কার্ড দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিলেন একটি চক্র। তাদের বাড়ি স্থানীয় এমপির গ্রামে হওয়ায় অনেকে তাদের বিশ্বাস করে প্রতারণার ফাঁদে পা দেন।

গত রোববার দুপুর ১২টার দিকে প্রতারকচক্রের সদস্য আসামি সোহাগ শেখ ও নুর আলম মোল্লা ডিসি অফিসের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে অসহায় মানুষদের সরকারি গরু, ঘর, সৌরবিদ্যুত ও অন্তঃসত্ত্বাদের ভাতার কার্ড দেওয়ার কথা বলেন। কৌশল হিসেবে তারা জানান, চেয়ারম্যান ও মেম্বার এসব টাকা আত্মসাৎ করেন বলে জেলা প্রশাসক তাদের সরাসরি পাঠিয়েছেন। তবে এসব সরকারি সহায়তা পেতে খরচ বাবদ ৭ হাজার টাকা জমা দিতে হবে।

তাদের কথা বিশ্বাস করে উজ্জ্বল মোল্লা ২ হাজার টাকা অগ্রিম জমা দেন এবং বাকি টাকা পরে দেওয়ার কথা বলেন। পরে ভালোভাবে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন তারা প্রতারক। এ ঘটনায় মঙ্গলবার আসামি সোহাগ শেখকে বাকি টাকা নিতে উজ্জ্বল মোল্লা ফোন করে গোপালপুর বাজারে আসতে বলেন।

এদিকে উজ্জ্বল মোল্লা ঘটনাস্থলে আলফাডাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) খায়রুল ও সহকারী উপপরিদর্শক (এসআই) অর্জুনসহ পুলিশের একটি দল সেখানে উপস্থিত হন। এ সময় সোহাগ শেখ ও নুর আলম মোল্লাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ব্যাপারে আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, ‘আসামিদের গ্রেপ্তার করে ফরিদপুরের আদালতে পাঠানো হয়েছে।’
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, সোহাগ শেখ (২২) ও নুর আলম মোল্লা (২৫)। তাদের বিরুদ্ধে উজ্জ্বল মোল্লা নামে এক ভুক্তভোগী প্রতারণার মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি অফিসের কর্মকর্তা সেজে চাকরি, ঘর, গরু, সৌরবিদ্যুত, অন্তঃসত্ত্বাদের ভাতার কার্ড দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিলেন একটি চক্র। তাদের বাড়ি স্থানীয় এমপির গ্রামে হওয়ায় অনেকে তাদের বিশ্বাস করে প্রতারণার ফাঁদে পা দেন।

গত রোববার দুপুর ১২টার দিকে প্রতারকচক্রের সদস্য আসামি সোহাগ শেখ ও নুর আলম মোল্লা ডিসি অফিসের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে অসহায় মানুষদের সরকারি গরু, ঘর, সৌরবিদ্যুত ও অন্তঃসত্ত্বাদের ভাতার কার্ড দেওয়ার কথা বলেন। কৌশল হিসেবে তারা জানান, চেয়ারম্যান ও মেম্বার এসব টাকা আত্মসাৎ করেন বলে জেলা প্রশাসক তাদের সরাসরি পাঠিয়েছেন। তবে এসব সরকারি সহায়তা পেতে খরচ বাবদ ৭ হাজার টাকা জমা দিতে হবে।

তাদের কথা বিশ্বাস করে উজ্জ্বল মোল্লা ২ হাজার টাকা অগ্রিম জমা দেন এবং বাকি টাকা পরে দেওয়ার কথা বলেন। পরে ভালোভাবে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন তারা প্রতারক। এ ঘটনায় মঙ্গলবার আসামি সোহাগ শেখকে বাকি টাকা নিতে উজ্জ্বল মোল্লা ফোন করে গোপালপুর বাজারে আসতে বলেন।

এদিকে উজ্জ্বল মোল্লা ঘটনাস্থলে আলফাডাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) খায়রুল ও সহকারী উপপরিদর্শক (এসআই) অর্জুনসহ পুলিশের একটি দল সেখানে উপস্থিত হন। এ সময় সোহাগ শেখ ও নুর আলম মোল্লাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ব্যাপারে আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, ‘আসামিদের গ্রেপ্তার করে ফরিদপুরের আদালতে পাঠানো হয়েছে।’হলেন, সোহাগ শেখ (২২) ও নুর আলম মোল্লা (২৫)। তাদের বিরুদ্ধে উজ্জ্বল মোল্লা নামে এক ভুক্তভোগী প্রতারণার মামলা দায়ের করেছেন।

গত রোববার দুপুর ১২টার দিকে প্রতারকচক্রের সদস্য আসামি সোহাগ শেখ ও নুর আলম মোল্লা ডিসি অফিসের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে অসহায় মানুষদের সরকারি গরু, ঘর, সৌরবিদ্যুত ও অন্তঃসত্ত্বাদের ভাতার কার্ড দেওয়ার কথা বলেন। কৌশল হিসেবে তারা জানান, চেয়ারম্যান ও মেম্বার এসব টাকা আত্মসাৎ করেন বলে জেলা প্রশাসক তাদের সরাসরি পাঠিয়েছেন। তবে এসব সরকারি সহায়তা পেতে খরচ বাবদ ৭ হাজার টাকা জমা দিতে হবে।

তাদের কথা বিশ্বাস করে উজ্জ্বল মোল্লা ২ হাজার টাকা অগ্রিম জমা দেন এবং বাকি টাকা পরে দেওয়ার কথা বলেন। পরে ভালোভাবে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন তারা প্রতারক। এ ঘটনায় মঙ্গলবার আসামি সোহাগ শেখকে বাকি টাকা নিতে উজ্জ্বল মোল্লা ফোন করে গোপালপুর বাজারে আসতে বলেন।

এদিকে উজ্জ্বল মোল্লা ঘটনাস্থলে আলফাডাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) খায়রুল ও সহকারী উপপরিদর্শক (এসআই) অর্জুনসহ পুলিশের একটি দল সেখানে উপস্থিত হন। এ সময় সোহাগ শেখ ও নুর আলম মোল্লাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ব্যাপারে আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, ‘আসামিদের গ্রেপ্তার করে ফরিদপুরের আদালতে পাঠানো হয়েছে।’রকারি সহায়তা দেওয়ার নামে প্রতারণা, গ্রেপ্তার ২সরকারি সহায়তা দেওয়ার নামে প্রতারণা, গ্রেপ্তার ২দেওয়ার নামে প্রতারণা, গ্রেপ্তার

Share Now
September 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930