ইউক্রেনের সর্বত্র ‘বর্বর’ হামলা চালিয়ে যাচ্ছে আগ্রাসী রুশ বাহিনী । গতকাল হামলার সপ্তম দিনে রাজধানী কিয়েভসহ বড় বড় শহরে হামলা জোরদার করেছে দখলদার রুশ বাহিনী। আর নিজেদের সাধ্যমতো প্রতিরোধ করে চলেছে ইউক্রেনের সেনাসহ আপামর জনগণ।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির আহ্বানে তরুণ-যুবারা স্বেচ্ছায় যুদ্ধে নাম লিখিয়েছে। প্রতিরোধ শিবিরে শুধু তরুণরাই না, আছেন মধ্যবয়সী- এমনকি বৃদ্ধরাও। যে হাত কোনো দিন অস্ত্র নেয়নি সেই হাতই এখন সশস্ত্র হয়ে আগ্রাসী রুশ বাহিনীকে প্রতিরোধ করে চলেছে। এদেরই একজন আলেক্স ইয়েচেঙ্কো।

২৭ বছর বয়সী ইয়েচেঙ্কো বিবিসিকে জানান, আগ্রাসনের প্রথম দুদিন অস্ত্রহাতে আমার হাত কাঁপছিল, পা টলমল করছিল। ইয়েচেঙ্কো পেশায় ভিডিও এডিটর। কিন্তু এখন দেশ রক্ষায় যুদ্ধে অংশ নিয়েছেন। ইয়েচেঙ্কো ইক্রেনের খেরসোনে বড় হয়েছেন। এই শহরটি গতকাল বুধবার দখলদার রুশ বহিনী কব্জা করে নিয়েছে। ১৭ বছর বয়সে তিনি রাজধানী কিয়েভে থাকা শুরু করেন। তার সঙ্গিনী ও বিড়াল পশ্চিমাঞ্চলের শহর লভিভে অবস্থান করছেন। তারা চাইলে সহজেই পোল্যান্ডে যেতে পারবে। কিন্তু তিনি যুদ্ধ করে যাচ্ছেন।

২৭ বছর বয়সী এই তরুণ বলেন, প্রথম রাতে কিয়েভে গোলার হামলার পরই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম আমাকে প্রতিরোধে অংশ নিতে হবে। আমার বান্ধবী খুবই আতঙ্কে আছেন আমি এখানে অবস্থান করায়। কিন্তু ইউক্রেনের প্রতিটি নাগরিকের এখন কর্তব্য এটিই। এখানে ভয় আছে? ইয়েচেঙ্কো বলছেন, ‘অবশ্যই।’ তিনি কখনই বন্দুক হাতে নেয়নি কিন্তু এখন দেশের জন্য লড়ছেন। তার কথায়, আমাদের রয়েছে শক্তিশালী সেনাবাহিনী, শক্তিশালী স্বেচ্ছাসেবী দল আর রয়েছে শক্তিশালী জনগণ যারা কখনই আত্মসমর্পণ করে না।

যুদ্ধে অংশ নিতে দেশে ফিরেছে ৮০ হাজার ইউক্রেনের নাগরিক : প্রশিক্ষিত রুশ বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে এখন পর্যন্ত ইউক্রেনের ৮০ হাজার নাগরিক দেশে ফিরেছেন।

Share Now
May 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031