মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইউক্রেনে চলমান রুশ আগ্রাসনের মধ্যে ইউরোপ সফর করলেন । গত বুধবারই তিনি বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে পৌঁছেছেন। গতকাল পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক করেন। বিবিসি জানিয়েছে, এবার সফরে বাইডেন ৫টি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বেন।

১. ঐক্য ধরে রাখা : ইউক্রেনে রাশিয়া আগ্রাসনের আগে থেকেই বাইডেন প্রশাসন বলে আসছে, মস্কো আগ্রাসন চালালে নজিরবিহীন কঠিন জবাব দেওয়া হয়। ২৪ ফেব্রয়ারি আগ্রাসন শুরু পর যুক্তরাষ্ট্র মিত্রদের সঙ্গে ধাপে ধাপে এগিয়েছে। যুদ্ধের প্রথমদিকে জরুরি পরিস্থিতিতে কিছু প্রথাগত বাধা দূর করে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্র ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। কিন্তু চলমান যুদ্ধ যত দীর্ঘ হবে মিত্রদের সঙ্গে মতবিরোধের ক্ষেত্রও তৈরি হবে।

২. শরণার্থী সংকট : যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গত একমাসে প্রায় ২৬ লাখ ইউক্রেনীয় দেশ ছেড়ে প্রতিবেশী দেশগুলোতে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নিয়েছে। লাখ লাখ শরণার্থীর জন্য সীমান্ত খুলে রাখায় বেশ চাপে পড়েছে পোল্যান্ড। সংকট ঠিকভাবে মোকাবিলা করা না গেলে এতে করে দেশটিতে সামাজিক অশান্তি ও অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা শুরুর ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

৩. সামরিক সমাধান : রুশ বাহিনীকে মোকাবিলা করতে ইউক্রেনে আরও দূরপাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বাস্তবান করা বেশ কঠিন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কেননা রাশিয়া আগেই সতর্ক করে রেখেছে যে, এ যুদ্ধে বাইরের কেউ নাক গলালেই এর জবাব হবে ভয়াবহ।

৪. নিষেধাজ্ঞার রূপরেখা : যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের নজিরবিহনী নিষেধাজ্ঞাতেও রাশিয়া হামলা বন্ধ করেনি। পশ্চিমারা জোর দিয়ে বলছে, নিষেধাজ্ঞার খড়্গ ধীর ধীরে টের পাবে রাশিয়া। কিন্তু এতে করেও খুব যে কাজ হচ্ছে, তা বলা যাচ্ছে না। কারণ, রাশিয়া পিছু হটেনি। কাজেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপকে নতুন করে ভাবতে হবে।

৫. চীন প্রসঙ্গ

রাশিয়া থেকে চীনকে দূরে রাখতে ও সম্ভব হলে রাশিয়ার আগ্রাসনের আরও স্পষ্ট করে নিন্দা জানানোর জন্য বেইজিংকে রাজি করাতে আমেরিকা ও ইউরোপকে এক হয়ে চেষ্টা চালাতে হবে। ইতোমধ্যে ওয়াশিংটন দ্বিতীয়বারের মতো সতর্ক করেছে বেইজিংকে।

Share Now
March 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031