রোববার তুরস্ক ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্টরা একমত হয়েছেন। তুরস্কের শহর ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত হবে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যেকার পরবর্তী শান্তি আলোচনা। এক ফোনালাপে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েফ এরদোগান এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে চলমান যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা করেছেন। এ সময়েই শান্তি আলোচনার পরবর্তী ভেন্যু নির্ধারিত হয়। যদিও কবে আবারও শান্তি আলোচনায় বসবে দুই দেশ তা এখনো নির্ধারিত হয়নি। তুরস্কের সংবাদ সংস্থা আনাদলুর বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে বার্নামা।
খবরে জানানো হয়, রুশ প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলোচনার সময় ইউক্রেনে তাৎক্ষনিক যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানান এরদোগান। ফোনালাপে শান্তি প্রতিষ্ঠার বিষয়ে পুতিনকে রাজি করানোর চেষ্টা করেন তিনি। এছাড়া যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকায় মানবিক পরিস্থিতির বিষয়টিও আলোচনায় প্রাধান্য দিয়েছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট।
তিনি জানান, শান্তি স্থাপনে যে কোনো ধরণের সাহায্য করতে প্রস্তুত তুরস্ক।
এর আগে গত ১০ই মার্চ তুরস্কের শহর আনতালিয়ায় বৈঠকে বসেছিলেন রাশিয়া ও ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। ২৪শে ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর এটিই দুই দেশের সর্বোচ্চ পর্যায়ের বৈঠক। যুদ্ধ বন্ধে তুরস্কের প্রচেষ্টা এরইমধ্যে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশংসিত হচ্ছে। রাশিয়া ও ইউক্রেন উভয় দেশের সঙ্গেই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকায় তুরস্কের এই আলাদা অবস্থান মধ্যস্ততাকারী হিসেবে বেশ কাজে দিচ্ছে।
উল্লেখ্য, এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ১১৯ ইউক্রেনীয় বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১ হাজার ৭৯০ জন। হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এছাড়া হামলা থেকে বাঁচতে প্রতিবেশি দেশগুলোতে পালিয়ে গেছে প্রায় ৪০ লাখ ইউক্রেনীয়।
