প্রবাসী আয় নিম্নমুখী প্রবণতায় রয়েছে করোনা পরিস্থিতি উন্নতি হওয়ার পর থেকে। তাই নতুন অর্থবছরের বাজেটে এ খাতে নগদ প্রণোদনা বৃদ্ধির দাবি উঠলেও তা আগের মতোই রাখার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। গতকাল জাতীয় সংসদে ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০২০-২০২১ অর্থবছরে দেশের প্রবাসী আয়ে রেকর্ড ৩৬ দশমিক ১০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছিল। তবে ২০২১-২০২২ অর্থবছরের শুরু থেকেই প্রবাসী আয় কিছুটা হ্রাস পেতে শুরু করায় বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রেরণকে অধিকতর উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে আমরা এ খাতে প্রণোদনার হার দশমিক ৫ শতাংশ বৃদ্ধি করে চলতি বছরের জানুয়ারিতে ২ দশমিক ৫ শতাংশে নির্ধারণ করেছি। আমি আগামী অর্থবছরেও এ খাতে ২ দশমিক ৫ শতাংশ হারে নগদ প্রণোদনা অব্যাহত রাখার প্রস্তাব করছি।

এ সময় প্রবাসী আয় বাড়াতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপও তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, আগে ৫ হাজার মার্কিন ডলারের অধিক প্রবাসী আয় প্রেরণের ক্ষেত্রে উক্ত প্রণোদনার জন্য প্রেরণকারীর কাগজপত্রাদি বিদেশস্থ এক্সচেঞ্জ হাউস থেকে প্রেরণের বাধ্যবাধকতা ছিল, যা সম্প্রতি প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ পদক্ষেপগুলোর কারণে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে প্রবাস আয়ের প্রবাহ আবারও বাড়তে শুরু করেছে। আশা করা যায় যে অতিসত্বর প্রবাসী আয়ে প্রবৃদ্ধির স্বাভাবিক ধারা ফিরে আসবে।

টানা কয়েক মাস বৃদ্ধির পর গত মে মাসে কমে গেছে রেমিট্যান্স। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, গত মে মাসে প্রবাসীরা ১৮৮ কোটি ৫৩ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। চলতি অর্থবছরের ১১ মাসের হিসাবে রেমিট্যান্স কমেছে প্রায় ১৬ শতাংশ। এ অঙ্ক আগের মাসের চেয়ে ১২ কোটি ৫৫ লাখ ডলার এবং আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৮ কোটি ৫৭ লাখ ডলার কম।

Share Now
March 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031