ঈদুল আযহা তথা কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে বা দাম বাড়তে শুরু করেছে আদা রসুন পিয়াজ ও মসল্লার বাজারে। গত এক সপ্তাহ’র ব্যবধানে দাম বাড়ছে কয়েক ধাপে, যা প্রতি বছর এই সময়ের পুনরাবৃত্তি বলে মনে করছেন ক্রেতা- বিক্রেতারা।

কোরবানির ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে  দেশের বৃহত্তম ভোগ্যপণ্যের বাজার খাতুনগঞ্জে ও রেয়াজউদ্দিন বাজারে মসলা  ক্রেতাদের ভীড় বাড়ছে।
নগরীর  ও জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষরা এইসব বাজারে আসছে মসলা কেনার জন্য। ক্রেতাদের  ভিড়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আদা রসুন পিয়াজ ও অনান্য মসল্লার দাম।

খাতুনগঞ্জের মেসার্স আউলিয়া ট্রেডার্সের দোকানী রাজিব চৌধুরী সিটিজি নিউজ ডটকমকে জানান, চায়না বড় রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকা এবং ছোট রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৫৯ থেকে ১৬০ টাকা, চায়না আদা বিক্রি হচ্ছে ৫৮ থেকে ৬৫ টাকা পর্যন্ত।  একই ভাাবে  ভারতীয় ছোট পেয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৯-২০ টাকা,  বড় পেয়াজ প্রতিকেজিতে দুই টাকা বাড়তি ২০-২১ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

গত সপ্তাহে আদার দাম ছিল ৫৬ থেকে ৬০ টাকা । রসুনের দাম ছিল ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকা এবং বড় পেয়াজের দাম ছিল ১৮-১৯ টাকা ।
এক সপ্তাহর ব্যবধানে প্রতিকেজি আদা ৫ থেকে ১০ টাকা,রসুনের দাম ৫ থেকে ১০ টাকা এবং কেজি প্রতি দুই টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে পেয়াজ, উল্লেখ করেন তিনি।

খাতুনগঞ্জ ভাম্যমান খুচরা ব্যবসায়ী আলাউদ্দিন ভ্যানে করে প্রতি কেজি পেয়াজ ২৫ টাকা,আদা ৮০ টাকা এবং বড় রসুন ১৮০ ও ছোট রসুন ১৪০ টাকায় বিক্রি করছে।

এই খুচরা বিক্রেতা জানান, “গত সপ্তাহে যে দাম ছিলো এথন তা বাড়তির দিকে, সব কিছুর দামই ক্রমান্বয়ে বাড়ছে”

খাতুনগঞ্জের পাইকারী ও খুচরা বিক্রেতা আল্লার দান ট্রেডিংয়ের ম্যানেজার জহির ও সহকারী ম্যানেজার মো.নয়ন সিটিজি নিউজ ডটকমকে জানান, পাইকারী প্রতিকেজি জিরা বিক্রি হচ্ছে  ৩৩৫ টাকা থেকে ভাল মানের ৩৬০ টাকায়। লং প্রতিকেজি  ৯০০ টাকা থেকে ক্রমান্নয়ে ১ হাজার টাকা, এলাচি প্রতিকেজি নিম্নে ৯৩০ টাকা  থেকে এক হাজার টাকায়,ধনিয়া  ৫৫ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে যা গত সপ্তাহে ছিল ৫৫-৫০ টাকা।

দারুচিনি কেজি প্রতি ২৩৫ থেকে ২৪০ টাকা, গোল মরিচ কেজিপ্রতি ৮০০ থেকে ৮২০ টাকা,সরিষা ৫৫ থেকে ৬০ টাকা পোস্তার দানা কেজি প্রতি ১২৫০ টাকা এবং জায়ফল বিক্রি হচ্ছে ৪৮০ থেকে ৫৫০ টাকায়, উল্রেখ করেন ম্যানেজার জহির।

মেসার্স হক ট্রেডিংয়ের দোকানী রুবেল দে সিটিজি নিউজ ডটকমকে জানান, “পাইকারী হলুদ বিক্রি হচ্ছে ১১৬ থেকে ১২০ টাকায়,রায়পুর মরিছ ১২৬ থেকে ১৩০ টাকা এবং ঝাল মরিছ বিক্রি হচ্ছে ১৬২ থেকে ১৬৫ টাকায়। তেজপাতা কেজিপ্রতি ৮২-৮৫ টাকা কালোজিরা ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা এবং প্রতি ৫০কেজি সুজির বস্তা বিক্রি হচ্ছে ১০৫০ থেকে ১১৫০ টাকায়।

মেসার্স নুর এন্টারপ্রাইজের ম্যানেজার এনামুল হক সিটিজি নিউজ ডটকমকে জানান,গত সপ্তাহে এলাচি এলএমজি ৯১০ থেকে ৯২০ টাকা এবং টিভিসি এলাচি ৯৩০ থেকে ৯৩৫ টাকায় বিক্রি হয়েছিল এসপ্তানে দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ৭০ টাকা পর্যন্ত এবং সিরিয়ার জিরা দাম কেজি প্রতি  বেড়েছে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত।

রিয়াজ উদ্দিন বাজারের ক্রেতা ব্যাংকার রুনা আকতার বলেছেন, ১৫দিন আগে পেয়াজ, রসুন যে দামে নিয়েছি এখন তার ছেয়ে বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে, দম কত বেড়েছে সেটার চেয়েও বড় কথা হচ্ছে ঈদ যতই কাছে আসছে দামও তত বাড়ছে এবং প্রতিবছরই একই পরিস্থিতি হচ্ছে।

Share Now
May 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031