সুনামগঞ্জ জেলার তিন সংসদ সদস্য লিবিয়া থেকে গ্রিসে যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে রাবারের বোটে (নৌযান) মারা যাওয়া সুনামগঞ্জের ১৩ জনের পরিবারের খোঁজখবর নিয়েছেন । প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে তাঁরা রোববার তাঁদের বাড়িতে গিয়ে সমবেদনা জানান এবং পরিবারগুলোকে কিছু উপহার দেন।
গত ২১ মাচ৴ লিবিয়া থেকে গ্রিসের উদ্দেশে যাওয়ার সময় নৌকাটি পথ হারিয়ে ফেলে। সাগরে নৌকাটি ছয় দিন ছিল। এ সময় জ্বালানি শেষ হয়ে যায়। খাবার ও পানির সংকটে নৌকায় থাকা ২২ জনের মৃত্যু হয়। মৃত ব্যক্তিদের মধ্যে ১৮ জন বাংলাদেশি। তাঁদের মধ্যে ১৩ জনই সুনামগঞ্জের। সুনামগঞ্জের ১৩ জনের মধ্যে দিরাই উপজেলার ছয়জন, জগন্নাথপুর উপজেলার পাঁচজন, দোয়ারাবাজারের একজন ও ছাতকের একজন।
রোববার সকালে প্রথমে জেলার জগন্নাথপুর উপজেলায় মৃত ব্যক্তিদের বাড়িতে যান সুনামগঞ্জ-৫ আসনের (ছাতক ও দোয়ারাবাজার) সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কলিম উদ্দিন আহমদ, সুনামগঞ্জ-৩ আসনের (জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ) সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ ও সানমগঞ্জ-১ আসনের (তাহিরপুর, জামালঞ্জ, ধর্মপাশা ও মধ্যনগর) সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল। এ সময় জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মোহাম্মদ আবদুল হকসহ নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে সংসদ সদস্যরা দিরাই, ছাতক ও দোয়ারাবাজার উপজেলায় মৃত ব্যক্তিদের বাড়িতে যান। সংসদ সদস্যরা জানান, তাঁরা আগেও এসব পরিবারের খোঁজখবর নিয়েছেন। আজ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তাঁরা এসব পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানিয়েছেন।
সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘এসব পরিবারের যে ক্ষতি হয়েছে, সেটি অপূরণীয়। আমরা চাই, এভাবে অবৈধভাবে কেউ যেন বিদেশে না যান। বিদেশে যেতে হলে বৈধভাবে যেতে হবে, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নয়।’
