বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে আলোচনা হয়েছে বাণিজ্য, জ্বালানী ও যোগাযোগ খাতে সহযোগিতা জোরদার করার সম্ভাবনা নিয়ে। মিয়ানমার সফররত পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী ও দেশটির স্টেট কাউন্সিলর অং সান সুচির মধ্যকার বৈঠকে এ প্রসঙ্গ উঠে আসে। বৃহস্পতিবার সুচির কার্যালয়ে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিসিআইএম (বাংলাদেশ-চীন-ভারত-মিয়ানমার) উদ্যোগের অধীনে ওই তিন খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। বৈঠক সম্পর্কে অবহিত এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে ইউএনবি জানিয়েছে, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের পারস্পরিক সহযোগিতার নানা ইস্যুতেও আলোচনা হয়েছে। সুচির কার্যালয় থেকে জানানো হয়, বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করা, দুদেশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানো এবং রাখাইন রাজ্যের বাস্তুচ্যুতদের প্রত্যাবাসন নিয়ে আলোচনা হয়।

 পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদ আলী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে রাখাইন রাজ্যের জন্য তিনটি অ্যাম্বুলেন্স প্রদান করেন। ন্যাপিড’তে মিয়ানমারের সমাজ কল্যান, ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ড. উইন মিয়াত আয়ের কাছে এ উপহার তুলে দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। ড. আয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতে উপহার ও একটি সার্টিফিকেট অব অনার তুলে দেন।
এর আগে মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হওয়া রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে একটি ‘অ্যারেঞ্জমেন্ট’ সই করে দু’পক্ষ। ওই সমঝোতা অনুযায়ী, আগামী দু’মাসের মধ্যে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন শুরু হওয়ার কথা। আর চুক্তি সইয়ের তিন সপ্তাহের মধ্যে একটি যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনেরও কথা রয়েছে।
Share Now
May 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031