বিআরটিএ আইনে না থাকলেও পরিবহন মালিকদের চাপের মুখে রাজধানীতে বাসে ১৫ দিনের জন্য সিটিং সার্ভিস চালানোর অনুমতি দিয়ে দিল পরিবহন নিয়ন্ত্রক সংস্থা । আর এই সিদ্ধান্ত নেয়ার কারণ হিসেবে জনভোগান্তি কমানোতে বর্ম করেছ তারা।

সিটিং সার্ভিসের বিরুদ্ধে বিআরটিএর অভিযান শুরুর চতুর্থ দিনে বুধবার রাজধানীতে সংস্থাটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পরিবহন মালিক সমিতির সঙ্গে বৈঠক হয়। এই বৈঠকে সাংবাদিকদের থাকতে দেয়া হয়নি।

রুদ্ধদ্বার বৈঠক শেষে বিআরটিএর চেয়ারম্যান মশিয়ার রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘জনস্বার্থের কথা চিন্তা করে ১৫ দিনের জন্য সিটিং বিরোধী অভিযান বন্ধ ঘোষণা করলাম। এই সার্ভিসকে একটা নিয়মের ভেতরে আনতে চাই। সিটিং সার্ভিস চলবে। তবে বিআরটিএর নির্ধারিত ভাড়া নিতে হবে। ভাড়া কোনো অবস্থাতেই বৃদ্ধি করা যাবে না।’

পকেট কাটার সিটিং সার্ভিস নিয়ে জন অসন্তোষের মুখে চলতি মাসের শুরুর দিকে এই সার্ভিস থাকবে না বলে প্রকাশ্যে ঘোষণা দেয় পরিবহন মালিক সমিতি। আর ঘোষণার বাস্তবায়নে গত রবিবার থেকে শুরু হয় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান।

কিন্তু অভিযান শুরুর দিন থেকে শুরু হয় নৈরাজ্য। সিটিং নামে যে বাড়তি ভাড়া আদায় করা হচ্ছিল, লোকালেও শ্রমিকরা আদায় করতে থাকে একই ভাড়া। আবার যাত্রীদের ‘শিক্ষা’ দিনে মাত্রাতিরিক্ত যাত্রী পরিবহণ, স্টপেজে স্টপেজে বাড়তি সময় দাঁড়িয়ে থাকার পাশাপাশি বাসের সংখ্যা কমিয়ে দেয় পরিবহন মালিকরা।

এই অবস্থায় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের মঙ্গলবার তার ‘অসহায়ত্ব’ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, রাজধানীতে যারা বাস চালায় তারা খুব প্রভাবশালী এবং তাদেরকে বাস নামাতে বাধ্য করা বাস্তবসম্মত নয়। মন্ত্রীর এই বক্তব্যের পর দিনই কার্যত বৈধতা পেয়ে গেল পকেট কাটার সিটিং সার্ভিস।

বিস্তারিত আসছে…

Share Now
September 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930