১৭৬টি গ্রাম এখন জনমানবশূন্য  মিয়ানমারের পূর্বাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যের। দেশটির রাষ্ট্রপতি দফতরের মুখপাত্র জ হতয় বুধবার এ কথা জানিয়েছেন।

জ হতয় বলেন, তিনটি শহরতলিতে ৪৭১টি রোহিঙ্গা অধ্যুষিত গ্রাম ছিল। যাদের মধ্যে ১৭৬টি গ্রাম এখন জনমানবশূন্য। তাছাড়া আরও ৩৪টি গ্রাম থেকেও কিছু সংখ্যক লোক পালিয়ে গেছে। তারা প্রতিবেশী দেশগুলোতে পালিয়ে গেছে।

তবে বিবৃতিতে রোহিঙ্গা শব্দটি উচ্চারণ করেননি জ হতয়। মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।

জ হতয় আরও বলেন, যেসব রোহিঙ্গা প্রতিবেশী দেশগুলোতে পালিয়ে গেছে মিয়ানমার তাদের সবাইকে গ্রহণ করবে না। আমরা তাদের যাচাই-বাছাই করবো। একমাত্র যাচাই-বাছাইয়ের পর আমরা তাদের গ্রহণ করবো।

প্রসঙ্গত, গত ২৫ আগস্ট রাখাইনের কয়েকটি পুলিশ চেক পোস্ট ও তল্লাশিচৌকিতে সন্ত্রাসী হামলা হয়। এর জেরে নতুন করে সেনা অভিযান শুরু করে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। রোহিঙ্গা নারী-পুরুষদের ওপর শুরু হয় দমন-নিপীড়ন। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার মতে এখন পর্যন্ত মিয়ানমার থেকে তিন লাখ ৭০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছে।

এদিকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে বুধবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে জরুরি বৈঠক হয়। বৈঠকে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তেনিও গুতেরেস বলেন, মিয়ানমারে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর জাতিগত নিধন চালানো হচ্ছে। তাই অবিলম্বে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন বন্ধের আহ্বান জানান গুতারেস।

Share Now
May 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031