ঘাটতি ধরা হয়েছে১ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা আগামী ২০২০-২১ অর্থবছরের ৫ লাখ ৬৮হাজারকোটিটাকার প্রস্তাবিত বাজেটে । আর এই ঘাটতি পূরণে ব্যাংক খাত থেকে ঋণ নেয়া হবে ৮৪ হাজার ৯৮৩ কোটি টাকা, যা গত অর্থবছরের দ্বিগুণ।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় সংসদে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেন।

‘অর্থনৈতিকউত্তরণওভবিষ্যৎপথপরিক্রমা’শিরোনামেপ্রস্তাবিত বাজেট চলতি অর্থবছরের বাজেটের চেয়ে ৪৪ হাজার ৮১০ কোটি টাকা বেশি। শতাংশ হিসাবে ৮ দশমিক ৫৬ শতাংশ বেশি। চলতি অর্থবছরের বাজেটের আকার পাঁচ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা।

প্রতিবার বাজেটে ঘাটতি সাধারণত পাঁচ শতাংশের মধ্যে রাখা হয়। এবার প্রথমবারের মতো তা ছয় শতাংশ স্পর্শ করেছে।

৫ লাখ৬৮হাজারকোটিটাকার প্রস্তাবিত বাজেটে মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে তিন লাখ ৭৮ হাজার কোটি টাকা। মোট ঘাটতির পরিমাণ ১ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা, যা মোট জিডিপির ৬ শতাংশ।

বিশাল ঘাটতি পূরণে সরকার ৮০ হাজার ১৭ কোটি টাকা বৈদেশিক ঋণের পরিকল্পনা করছে, যা চলতি বাজেটে্র (সংশোধিত) চেয়ে ২৭ হাজার কোটি টাকা বেশি। চলতি বাজেটে এর পরিমাণ ৫২ হাজার ৭০৯ কোটি টাকা।

ঘাটতি মেটাতে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে সরকার এক লাখ ৯ হাজার ৯৮৩ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এর মধ্যে ব্যাংক খাত থেকে ৮৪ হাজার ৯৮৩ কোটি টাকাঋণ নেওয়া হবে জানান অর্থমন্ত্রী। আর সঞ্চয়পত্র বিক্রি ও অন্যান্য ব্যাংকবহির্ভূত খাত থেকে মোট ২৫ হাজার কোটি টাকা নেওয়া হবে।

চলতি অর্থবছরে ব্যাংকিং খাত থেকে ঋণ নেয়ার লক্ষ্য ছিল ৪৭ হাজার ৩৬৪ কোটি টাকা। পরে ৮২ হাজার ৪২১ কোটি টাকা ঋণ নেয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়।

তার আগে আজ দুপুরে প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। পরে ওই প্রস্তাবে সই করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। বেলা সাড়ে তিনটায় বসে বাজেট অধিবেশন।

Share Now
June 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930